শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় স্বাধীন, শক্তিশালী গণমাধ্যমের বিকল্প নেই: মির্জা ফখরুল প্যারাসেইলিং মালিক ফরিদ ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের উঁকিঝুঁকিকে গুরুত্ব দিচ্ছেনা সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈকতে পানিতে ডুবে শিক্ষার্থীর মৃত্যু সৌদিতে এরদোগান-সালমান-শাহবাজ ত্রিপক্ষীয় বৈঠক, হতে যাচ্ছে কি প্রতিরক্ষা চুক্তি? যে কারণে ইসলামে চুপচাপ থাকাও ফজিলতপূর্ণ নতুন তালিকা হবে ইয়াবা কারবারিদের, অপহরণ রোধে বসবে দুই সেনা ক্যাম্প: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাইক্ষ্যংছড়িতে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার পেকুয়ার মগনামায় ওযু করতে গিয়ে মসজিদের ইমামের মৃত্যু তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী ফারুকের ডিলার ব্যবসা, উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ

এখনো অনিশ্চিত সিনেমা 

ভয়েস বিনোদন ডেস্ক:

আজ থেকে সীমিত আকারে ‘লকডাউন’ তুলে দেওয়া হয়েছে। জোর আলোচনা চলছে নাটকের শ্যুটিং শুরু নিয়ে। কিন্তু সিনেমার কাজ শুরু নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে। কারণ হল ও সিনেপ্লেক্সগুলো বন্ধ। কবে খুলবে সে নিশ্চয়তা নেই। বড়পর্দায় নতুন সিনেমা ছাড়াই পালিত হলো ঈদুল ফিতর। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে সিনেমা? কথা বলেছেন চলচ্চিত্রের চার তারকা।

মিশা সওদাগর, চলচ্চিত্র অভিনেতা

আমার পরিবার আমেরিকায়। তাদের নিয়ে একদিকে চিন্তায় থাকি, অন্যদিকে নিজের পেশা নিয়ে আরেক চিন্তা। সিনেমা ছাড়া তো মিশা সওদাগরকে কেউ চিনত না। সেই সিনেমা, সিনেমার মানুষদের নিয়ে ভাবি। একজন অভিনেতা হিসেবেই নয়, চলচ্চিত্র শিল্পীদের নেতা হিসেবে এটা আমার পেশাগত দায়িত্বও বটে। তবে করোনার এই ভয়াবহতা থেকে সিনেমার উত্তরণ কীভাবে হবে তার কোনো পথ এখনো আমি পাইনি। আগামী ৭ জুন থেকে একটি সিনেমার শ্যুটিং শুরুর কথা শুনেছি, সে ব্যাপারেও আমি এখন পর্যন্ত কিছু জানি না। সিনেমার সার্বিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা, পর্যালোচনা করতে হবে। এর সঙ্গে অনেক মানুষ জড়িত। তাই এ নিয়ে বলতে আরও সময় লাগবে।

সাদিকা পারভিন পপি, চিত্রনায়িকা

আমার কাছে মনে হয়, শোবিজের সব শাখার মধ্যে আমরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। এমনিতেই আমাদের ইন্ডাস্ট্রি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছিল। তারপর এত বড় ধাক্কা। সবকিছু স্বাভাবিক হলেও মানুষ সিনেমা হলে যাবে কি না তা নিয়েও সংশয় রয়েছে। আগে তো মানুষ খেয়ে-পরে বেঁচে থাকবে। তারপর সিনেমা দেখবে। বিনোদন তো সবকিছুর পরে আসবে। প্রেক্ষাগৃহে এখন চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা ঝুঁকিপূর্ণ। সে ক্ষেত্রে বিকল্প কিছু ভাবা উচিত। সারা বিশ্ব কিন্তু এখন অনলাইনের দিকে ঝুঁকছে। নেটফ্লিক্স, হটস্টার, অ্যামাজন প্রাইমসহ নানা ধরনের অনলাইন প্লাটফর্মে কিন্তু বিশে^র নামিদামি অভিনয়শিল্পীদের সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে। এখন আমাদেরও ভাবতে হবে। শুধু সিনেমা হলের ওপর নির্ভরশীল না থেকে অনলাইন প্লাটফর্মে মুক্তি দেওয়া যেতে পারে।

মাহিয়া মাহি, চিত্রনায়িকা

করোনার কারণে সবচেয়ে ঝুঁকির মুখে পড়েছে আমাদের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি। করোনা চলে না গেলেও আজ থেকে সব পেশার কাজ আস্তে আস্তে শুরু হবে। এমনকি নাটক বা গানের শিল্পীরাও কাজ করতে পারবেন। কিন্তু আমরা কার জন্য কাজ করব? হলে অনেক লোকের সমাগম কতদিন পর্যন্ত একেবারে ঝুঁকিমুক্ত হবে আমরা কেউ জানি না। আমাদের দেশের অনলাইন স্ট্রিমিং সাইটগুলোও সেভাবে জনপ্রিয় হয়নি। তাই আমাদের মতো শিল্পীদের দিয়ে কাজ করিয়ে বড় বাজেটের সিনেমাগুলো প্রযোজক কোথায় চালাবেন? এসব ভাবতে ভাবতে প্রায়ই মনটা খারাপ হয়ে যায়। কারণ, আমি মনেপ্রাণে সিনেমাকে ধারণ করি। সিনেমা ছাড়া মাহিকে এক মুহূর্ত ভাবতে পারি না। বলিউডের হিরোইন, ফ্যাশন দেখে মনটা কেঁদে ওঠে। যখন ভাবি, একটা সময় আমার কাছেও হয়তো কেউ আর সিনেমার প্রধান চরিত্র নিয়ে হাজির হবে না, তখন আর সহ্য করতে পারি না। তারপরও লকডাউনের এই ঘরবন্দি সময়ে হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করি। মাকে সেদিন মজা করেই বলছিলাম, ‘আমি নায়িকা থাকতে থাকতে এই অবস্থার উন্নতি যেন হয়। নয় তো আমাকে মা, খালার চরিত্র করতে হবে। যা আমি একদমই চাই না।’

ইয়ামিন হক ববি, চিত্রনায়িকা

করোনার কারণে আমার ব্যক্তিগত কাজে অনেক ব্যাঘাত ঘটেছে। সৈকত নাসিরের পরিচালনায় ‘আকবর’ সিনেমার কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু করোনার কারণে গানের শ্যুটিং করার পর আর কাজ করা সম্ভব হয়নি। কলকাতার একটা নতুন সিনেমা শুরু করার কথা ছিল। সেটাও বন্ধ হয়ে গেল। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়াতে আমার দুটি শো বাতিল হয়েছে। সবমিলিয়ে কাজে ভালোই ব্যাঘাত ঘটেছে। শুধু নিজেরটা ভাবলে হবে না এখন, পুরো ইন্ডাস্ট্রি চাপের মুখে পড়েছে। আজ থেকে সীমিত আকারে ‘লকডাউন’ তুলে দেওয়া হচ্ছে। লকডাউন তুলে দেওয়া হচ্ছে, তার মানে এই না যে আমরা সতর্ক থাকব না। করোনা কিন্তু এখনো চলে যায়নি। আমাদের আগের মতোই সচেতন থাকতে হবে। অন্য যারা আছে তারা হয়তো কাজ শুরু করে দিতে পারবে। কিন্তু এ পরিস্থিতিতে আমাদের কাজে যাওয়াটা একটু কঠিন হবে। কারণ আউটডোরের শ্যুটিংয়ে অনেক লোক থাকে। শ্যুটিং করলে লোকসমাগম হবেই। এজন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্যুটিং করা সম্ভব হবে না। আমি মনে করি আরেকটু পরে শ্যুটিং শুরু করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সূত্র:দেশরূপান্তর।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION